ইটভাটায় স্কুল ছাত্র

ইটভাটায় স্কুল ছাত্র
Collected

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় বিভিন্ন কাজে নেমেছে শিশুরা।

হোসাইন, আশরাফ, ইমন, রাশিদুল, রিয়াজ, সাকিব, অনিক, মজিবুল, উলাইকা, সুবায়েলসহ  আরো বেশ কয়েকজন শিশু জানায়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় ইটভাটায় দিনমজুরের কাজ করছে তারা। ঈশ্বরদীর চরকুড়ুলিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হোসাইন বলে, "আমার বাবা অসুস্থ তাই আমি এখানে দিনমজুরের কাজ করি।"

অন্যদিকে মাদ্রাসার দশম শ্রেণিতে পড়াশোনা করে সুরায়েল। পরিবারের সাথে ইশ্বরদীর চরকুড়ুলিয়াতেই থাকত। আর্থিক সমস্যার জন্য দিনমজুরের কাজ শুরু করেছে ।

সুবায়েল জানান, "করোনার জন্য স্কুল বন্ধ একারনে কাজ করতে পারতেছি।"

চরকুড়ুলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী আশরাফ হোসেন বলে, "সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত কাজ করি। আমরা এজায়গায় থেকে কাজ করি। সপ্তাহ শেষে পরিবারের কাছে যাওয়া হয়।"

একই স্কুলের একই ক্লাসে ইমন ইসলাম। সে  জানায়, "আমরা কাজ করে প্রতিদিন যে টাকা পাই। তা পরিবারকে দিয়ে দেই।"

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুললে আবার স্কুলে যাওয়ার স্বপ্ন দেখে ঈশ্বরদীর কামালপুর টিএম উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী অনিক।

সে বলে, "এখন স্কুলে যেতে হচ্ছে না, তাই কাজ করে আবার স্কুলে যাব।